When turned on automatically changes
the theme color on reload.
When turned on automatically changes
the theme color every 5 sec.
বিমসটেক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনটি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জন্য ছিল ব্যস্ততায় ভরা ও কূটনৈতিক দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) তিনি একদিনে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেন, যার মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়।
সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে প্রথম দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন ড. ইউনূস। আলোচনায় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন তিনি। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের নতুন সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দেন উভয়পক্ষ।
পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন ইস্যুতে উভয় দেশ সহযোগিতামূলক মনোভাব প্রদর্শন করে।
একই দিনে হোটেল সাংগ্রিলায় শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে আলোচনায় মিলিত হন তিনি। নিজেদের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে পারস্পরিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন দুই নেতা।
সবশেষে, মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলার লবিতে হাঁটতে হাঁটতে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা করেন ড. ইউনূস। বৈঠকটি স্বল্প সময়ের হলেও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ইস্যুতে মতবিনিময় হয়।
এই বৈঠকগুলো বিমসটেকের মাধ্যমে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে গভীরতর সম্পর্ক গড়ে তোলার এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।